1. amaderjonota6@gmail.com : dailyamaderjonota :
পড়াশুনায় শিক্ষার্থীরা অমনোযোগী - dailyamaderjonota
১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| বিকাল ৫:১৮|
শিরোনামঃ
বীরগাঁও ইমদাদুল হক বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ জোয়া এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে আসছে রোমান্টিক ইউটিউব ফিল্ম ‘মন বদল’ দিরাইয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে মানহানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জামালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাল্যবিবাহ ও আইনি সচেতনতা বিষয়ক আলোচনা সভা ঝিনাইগাতীতে বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল ঝিনাইগাতীতে আসঝি’র উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ঝিনাইগাতীতে ব্রাকের স্বপ্নসারথি গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান-২০২৫ অনুষ্ঠিত আল-মুছিম স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন শিক্ষকরা হলেন জাতির আলোকবর্তিকা: আতিকুর রহমান লিটন ঝিনাইগাতীতে  আব্দুল মান্নানকে  বিএনপির সদস্য সচিব দেখতে চান তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা তৌসিফ মাহবুব এবং মিজু ইনযাম এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বাংলাদেশ সেলিব্রিটি ফুটবল ক্লাব উন্মোচন করলো লিমিটেড এডিশন সেলিব্রিটি জার্সি – নিগার দৌলার ডিজাইনে

পড়াশুনায় শিক্ষার্থীরা অমনোযোগী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯৭ Time View

ইশতিয়াক আহমেদ শামীম

এই তো ১৫ থেকে ২০ বছর আগের কথা।সকালে ফজর নামাজের পর মক্তবের মাইকে এলান হতো।আর ছেলেমেয়েরা কুরআন পড়ার জন্য দলবেঁধে মক্তবে যেতো।পড়ার টেবিলে পড়ার আওয়াজ শুনা যেত।আবার অনেকে পড়ার প্রতিযোগিতা করত।কে কত আগে ওঠে পড়ার টেবিলে বসতে পারে। এ ছিল যেন নিরব প্রতিযোগিতা।সকালে পায়ে হেটে দল বেঁধে ছেলেমেয়ে স্কুলে যাওয়া।কি এক মোহনীয় দৃশ্য। যা আজও চোখে ভাসে।শৈশবের সেই স্মৃতি আজও ভাসে। বিকালে খেলার মাঠে হৈ চৈ আর ওভাবে শুনা যায় না।খেলার মাঠটা আজ ফাঁকা পড়ে থাকে।মাঠের চারপাশে দর্শকের ভিড় নেই।সন্ধার পর হারিকেন,কূপি বা বৈদ্যুতিক বাতির আলোতে পড়ার টেবিলে পড়ার ঝড় উঠতো।কে কত রাত জেগে পড়াশুনা করতে পারে তার জন্য চলতো নিরব প্রতিযোগিতা।পরীক্ষায় কে কত বেশি মার্কস তুলতে পারে,পরীক্ষার শেষে তা গর্বের সা বুক ফুলিয়ে বলা।কি দি। গুলোই না ছিল!পাঁচ টাকার কালো নীল কলম দিয়ে লেখা।দশ টাকার খাতা কিনে তাতে স্কেল দিয়ে মার্জিন
দেওয়া। বাবার কাছ থেকে টাকার টিফিন নেওয়া আরো কত কি!

আজ সব হারিয়ে গেছে প্রযুক্তির ছোঁয়ায়।প্রযুক্তির জন্য মানুষের জীবন যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে।অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি পড়াশুনায় অমনোযোগিতার প্রধান কারণ।ছোট ছেলেমেয়রা পাবজি ,ফ্রি ফায়ার,মাইন ক্রাফ্ট ইত্যাদি গেইমে আসক্ত হয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় অতিবাহিত করছে।টিকটক ও ফেসবুকে আসক্ত হয়ে রাতের পর রাত নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে।তারা মনে করছে পড়াশুনায় দুই এক ঘন্টা সময় দিলেই হবে।এটাই যথেষ্ট।তারা পড়াশুনাটাকে বানিয়ে ফেলেছে প্রাইভেট আর কোচিং নির্ভর।পড়াটাকে তারা ব্যক্তি পর্যায়ে নেয় না।
গ্রামেও প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগায় গ্রামের ছেলেমেয়েরাও আজ সমান তালে প্রযুক্তির ক্ষতিকর দিক বেছে নিচ্ছে।এছাড়াও কৌতুহল বশত মাদক সেবন এবং তা থেকে মাদকাসক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবন থেকে তারা অন্ধকারে হারিয় যাচ্ছে।তারা সব সময় নিরব পরিবেশ খোজার চেষ্টা করে।লোকালয় থেকে নির্জন স্হান পছন্দ করে।পড়াশুনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে।
পারিবারিক কলহ,বাবা মায়ের অতিরিক্ত শাসন, পড়াশুনার প্রতি অতিরিক্ত চাপ অনেক ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হয়।এতেও ছেলেমেয়েরা পড়াশুনার প্রতি বিষাদ মনোভাব সৃষ্টি হয়।
সমাজে চলতে থাকা নানা অসামাজিক কর্মকান্ড,মাদকের রমরমা বানিজ্য,সহজলভ্যতা ছেলেমেয়েদের জীবনে নানা প্রভাব ফেলে।ফলে তারা পড়াশুনার প্রতি অনীহা দেখা দেয়।
এমতাবস্থায় আমাদের উচিত তাদের সাথে বন্ধুসুলভ আচারণ করা,তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা,সন্ধ্যার আগে বাড়িতে থাকা,তাদের মনের কথাগুলো শুনা।শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা।পড়াশুনার তদারকি করা।হোম ওয়ার্ক মনিটরিং করা।অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার যাতে না করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখা।ভালো ফলাফলের জন্য পারিবারিক পুরস্কার প্রদান ইত্যাদি।উল্লেখিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অনেকটাই ছেলেমেয়েদের পড়ার প্রতি আকৃষ্ট করতে পাড়বো বলে আমরা আশা করতে পারি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025