
জেলা প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ::
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার বীরগাঁও ইমদাদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল আজ (রবিবার)। কিন্তু অভিযোগ পাওয়া গেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাল ফরম বিক্রি করে তা গ্রহণ করেছেন এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়ার পর সব মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বৈধ প্রার্থীরাও মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেষ তারিখ পার হয়ে যাওয়ার পর প্রধান শিক্ষক নিজের দায় এড়াতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে গোপনে একদিন সময় বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার পছন্দের চারজন প্রার্থীর ফরম আগামীকাল জমা দিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত দেখানোর পরিকল্পনা করছেন যেখানে প্রকৃত প্রার্থী ছিলেন সাত-আটজন।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করার পর নির্ধারিত সময়ের বাইরে নতুন ফরম গ্রহণের কোনো আইনগত সুযোগ নেই। এটি শিক্ষা আইন, নির্বাচন বিধি ও প্রশাসনিক নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
তারা আরও বলেন, “লাস্ট ডেট পার হওয়ার পর গোপনে ফরম গ্রহণ করা অনৈতিক ও বেআইনি কাজ। এতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নষ্ট হয়।”
সচেতন মহল বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন এবং সাংবাদিক সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন যেন নতুন বাংলাদেশের স্বচ্ছতা ও ন্যায়ের পথে এমন অনিয়মের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।