
তাহিরপুর প্রতিনিধি::
তাহিরপুর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মির্জা রিয়াদ হাসানের,দুর্নীতি, অফিস ফাঁকি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সাধারণ মানুষের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরণের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।
রবিবার (১৬ আগস্ট ) বেলা ১১টার দিকে তাহিরপুর উপজেলা চত্তরের উপর এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন—বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশীদ, আন্তঃউপজেলা অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব আফিকুল হক, উপজেলা সুজন সভাপতি শফিকুল হক, উপজেলা বিএনপি নেতা আতিকুল ইসলাম আতিক, তাহিরপুর সদর ইউপি বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শামসুজ্জামান, হাওর বাঁচাও আন্দোলন তাহিরপুর উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক তুজজামুল হক নাসরুম, সদস্য সামরুল ইসলাম, যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম, যুব নেতা শাহজাহান মিয়া, ইউপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাজিদুল হক, তাহিরপুর কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোসায়েল আহমদ, যুব নেতা তানিম আহমদ লিংকন,ছাত্রদলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মুন্না, যুগ্ম আহাব্বায়ক রাহাত হাসান রাব্বি, মৎস্যজীবী দলের উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আল আমিন গণি প্রমুখ স্থানীয় এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে ব্যক্তিগত ব্যবসায় বেশি মনোযোগী থাকেন,টাকা ছাড়া রোগীদের চিকিৎসা সেবা না দেওয়া,ডিউটির সময় মোবাইল ফোনে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত থাকা,রোগীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যক্তিগত চেম্বারে যেতে বাধ্য করা,সরকারি নথিতে স্বাক্ষরের বিনিময়ে ঘুষ নেওয়া।এছাড়া হাসপাতালে রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, একাধিক স্থানে ব্যক্তিগত চেম্বার পরিচালনা, টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোট ব্যবসা, উপজেলার বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিনিয়োগ এবং অর্থের বিনিময়ে পুলিশ কেসের সার্টিফিকেট দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। অনেক নেটিজেন দাবি তুলেছেন— স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে জনস্বার্থে দ্রুত ডা. রিয়াদ হাসানকে তাহিরপুর থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।সভায় বক্তারা অবিলম্বে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রিয়াদ হাসানকে অপসারণ ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও বক্তারা জানান।